এক টানা কম্পিউটার এ কাজ করলে চখের যত্ন নেওয়ার উপায়
এক টানা কম্পিউটার এ কাজ করলে চখের বিভিন্ন ক্ষতি হয়। এক তানা কম্পিউটারে
কাজ করার সময় প্রতি ২০ মিনিত অন্তর ২০ সেকেন্ড জন্য ২০- ফুট দুরুত্তে তাকিয়ে থাকুন
। নিয়মিত চখের পলক ফেলুন, এবং স্কিনের ব্রাইত্নেসস ও দুরুত্ত থিক রাখুন।
nt-size: 19px; font-weight: 600; background-color: #F1F1F1; color: #333;
isolation: isolate; padding: 1rem; margin-bottom: 1rem; box-shadow: -8px -4px
8
ফ্রিল্যান্সারদের চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল
প্রতি ৪-৫ সেকেন্ড পর পর চখের পলক ফেলুন । এটা চখের অঙ্ক সমসসা থেকে মুক্তি দেয়।
সারা দিন কম্পিউটার কাজ করেউ চখ দুতিকে সুস্থ রাখবেন
যেভাবে ঃ
পেজ সূচিপত্রঃ এক টানা কম্পিউটার এ কাজ করলে চখের যত্ন নেওয়ার উপায়
- এক টানা কম্পিউটার এ কাজ করলে চখের যত্ন নেওয়ার উপায়
- ২০-২০-২০ নিয়মে কারজকর প্রয়োগ
- আদর্শ স্কিন সেতাপ,দুরুত্ত বজায় রাখা
- কাজের পরিবেস ভাল ও ফ্রন্ট সাইজ নিয়ন্ত্রন
- আআন্তি-গ্লেয়ার চশমা ও নিয়মিত চখের ব্যায়াম
একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ কেন ক্লান্ত হয়?
প্রতি ২০ মিনিট পর পর স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এটি চোখের পেশিকে বিশ্রাম দেয়।
ঘরের লাইট ও কম্পিউটারের ব্রাইটনেস কীভাবে সেট করব?
ঘরের আলোর সঙ্গে মিলিয়ে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমান বা বাড়ান। খুব অন্ধকার ঘরে কাজ করবেন না এবং স্ক্রিনে সরাসরি আলোর প্রতিফলন বা গ্লেয়ার হতে দেবেন না।
টানা ১ ঘণ্টা কম্পিউটার এ কাজ করলে অন্তত ১ মিনিট ঘন ঘন চখের পলক ফেলতে
হবে । কাজ রত অবস্থায় ২০-২৫ মিনিট পর পর ১৫ সেকেন্ড র জন্য ১৫ ফুত
দূরে কন বস্তুর দিকে তাকিয়ে দেখা । কিসুক্ষন পর পর চখের আরাম দেওয়া । আমাদের চখের
কয়েকটি মাসল রয়েসে এগুলর ব্যায়াম কতা অত্যন্ত জরুরি । চখ আমাদের সরিরের এক্তি
অমূল্য সম্পদ তায় কাজের পাশাপাশি খের যত্ন নেওয়া তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
ব্লু লাইট প্রোটেক্ট গ্লাস ব্যবহারের সুবিধা
বর্তমান সময়ে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস আমাদের
দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে
কাজ করলে চোখে ক্লান্তি, জ্বালাপোড়া, শুষ্কতা ও অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। ব্লু
লাইট প্রোটেক্ট গ্লাস স্ক্রিন থেকে আসা নীল আলোর একটি অংশ ফিল্টার করতে পারে।
ফলে স্ক্রিন ব্যবহারের সময় চোখের ওপর পড়া অস্বস্তি কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে।
বিশেষ করে যারা দীর্ঘসময় কম্পিউটারে কাজ করেন বা ফ্রিল্যান্সিং করেন, তাদের
জন্য এ ধরনের চশমা আরামদায়ক হতে পারে। তবে শুধু চশমা ব্যবহার করলেই চোখের সব
সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। পাশাপাশি নিয়মিত বিরতি নেওয়া, পর্যাপ্ত আলোতে
কাজ করা এবং স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা সঠিক মাত্রায় রাখা প্রয়োজন।
ব্লু লাইট প্রোটেক্ট গ্লাস ব্যবহারের সুবিধা ।কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিন
থেকে নীল আলো বের হয়। ব্লু লাইট প্রোটেক্ট গ্লাস এই আলো কিছুটা কমাতে সাহায্য
করে। ফলে দীর্ঘসময় স্ক্রিন দেখার সময় চোখের অস্বস্তি, শুষ্কতা ও চোখে চাপ কমাতে
সহায়ক হতে পারে।
চোখের শুষ্কতা দূর করার রিফ্রেশিং ড্রপ
দীর্ঘসময় কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে আমরা স্বাভাবিকের
তুলনায় কম পলক ফেলতে পারি। এর ফলে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে চোখ
শুষ্ক, জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। এ অবস্থায় লুব্রিকেটিং আই ড্রপ
বা আর্টিফিশিয়াল টিয়ার চোখকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো চোখের
শুষ্কতার কারণে হওয়া অস্বস্তি সাময়িকভাবে কমাতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছামতো
যেকোনো চোখের ড্রপ ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখে দীর্ঘদিন শুষ্কতা, ব্যথা,
অতিরিক্ত লালভাব বা দৃষ্টিতে সমস্যা থাকলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া
উচিত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং কাজের মাঝে চোখকে বিশ্রাম দেওয়াও
গুরুত্বপূর্ণ।চোখের শুষ্কতা দূর করার রিফ্রেশিং ড্রপ
দীর্ঘসময় কম্পিউটার দেখলে আমরা কম পলক ফেলি, তাই চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। এ ধরনের
লুব্রিকেটিং/আর্টিফিশিয়াল-টিয়ার ড্রপ চোখকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। তবে কোন
ড্রপ ব্যবহার করা উচিত, সেটা প্রয়োজনে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে নেওয়া
ভালো।
ফ্রিল্যান্সারদের চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল
ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় দীর্ঘসময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসে কাজ করেন।
ফলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এ সমস্যা কমাতে ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করা
যেতে পারে। অর্থাৎ, প্রতি ২০ মিনিট পর পর প্রায় ২০ সেকেন্ডের জন্য অন্তত ২০ ফুট
দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকাতে হবে। এতে চোখকে কাছের স্ক্রিন থেকে কিছুটা
বিশ্রাম দেওয়া যায়। এছাড়া কয়েকবার ধীরে ধীরে চোখের পলক ফেলা, কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ
রাখা এবং দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকানো উপকারী অভ্যাস। দীর্ঘসময় একটানা
স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিয়মিত ছোট বিরতি নেওয়া উচিত। এতে চোখের
ক্লান্তি ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ফ্রিল্যান্সারদের চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল
২০-২০-২০ নিয়ম: প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য প্রায় ২০ ফুট দূরের
কোনো বস্তুর দিকে তাকানো।এছাড়া চোখ ধীরে ধীরে ডানে-বামে ও ওপর-নিচে নড়ানো এবং
কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া যায়। এতে চোখের দীর্ঘসময় এক জায়গায়
তাকিয়ে থাকার চাপ কমে।
স্ক্রিন টাইম কমানোর প্র্যাকটিক্যাল উপায়
বর্তমানে পড়াশোনা, চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং ও বিনোদনের জন্য আমরা অনেক সময় স্ক্রিন
ব্যবহার করি। তাই স্ক্রিন টাইম পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়, তবে প্রয়োজনের
বাইরে ব্যবহার কমানো সম্ভব। কাজের সময় শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অ্যাপ বা ওয়েবসাইট
ব্যবহার করা উচিত এবং অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যেতে পারে। প্রতি
কিছুক্ষণ পর পর কাজ থেকে বিরতি নিয়ে দূরের দিকে তাকানো ভালো। অবসর সময়ে
অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার না করে হাঁটা, বই পড়া বা অন্য কোনো স্ক্রিনবিহীন কাজে
সময় দেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহার না করাই
ভালো। এভাবে দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করলে স্ক্রিন টাইম
নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
- কাজের মাঝে নিয়মিত ছোট বিরতি নেওয়া
- অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ব্যবহার কমানো
- কাজের সময় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা
- ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার কমানো
- একটানা অনেকক্ষণ স্ক্রিনের দিকে না তাকানো
ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখের উপকারিতা
ডার্ক মোড বর্তমানে মোবাইল, কম্পিউটার ও বিভিন্ন অ্যাপের একটি জনপ্রিয় ফিচার।
এতে স্ক্রিনের ব্যাকগ্রাউন্ড সাধারণত গাঢ় থাকে এবং লেখাগুলো তুলনামূলকভাবে
উজ্জ্বল দেখা যায়। বিশেষ করে কম আলো বা রাতে স্ক্রিন ব্যবহারের সময় অনেকের কাছে
ডার্ক মোড বেশি আরামদায়ক মনে হতে পারে। এটি স্ক্রিনের অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা কম
অনুভব করতে সাহায্য করতে পারে। তবে ডার্ক মোড ব্যবহার করলেই চোখের সব ধরনের
সমস্যা প্রতিরোধ করা যায় না। ঘরের আলো অনুযায়ী স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখা,
স্ক্রিন থেকে উপযুক্ত দূরত্ব বজায় রাখা এবং নিয়মিত বিরতি নেওয়াও প্রয়োজন। তাই
চোখের যত্নের জন্য ডার্ক মোডের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর স্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস
গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
ডার্ক মোডে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা ও বিশেষ করে অন্ধকার পরিবেশে চোখে পড়া আলো কম
অনুভূত হতে পারে। এতে অনেকের চোখে আরাম লাগে। তবে ডার্ক মোড সবার চোখের সমস্যা
দূর করে—এমন নয়; উজ্জ্বলতা আরামদায়ক মাত্রায় রাখা এবং নিয়মিত বিরতি নেওয়াটাই
বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url